L'Italia vota oggi: cosa sono le elezioni comunali e cosa c'entrano con te
Guida alle elezioni comunali del 24-25 maggio per chi vive in Italia, con o senza diritto al voto.
আজ ইতালিতে ভোট: কমুনালে নির্বাচন কী এবং এটা আপনার সাথে কীভাবে সম্পর্কিত
ইতালিতে বসবাসকারীদের জন্য ২৪-২৫ মে'র কমুনালে নির্বাচনের গাইড — ভোটাধিকার থাকুক বা না থাকুক।
আজ ও আগামীকাল, রবিবার ২৪ এবং সোমবার ২৫ মে ২০২৬, প্রায় ৬৩ লাখ ইতালিয়ান প্রায় ৭৫০টি পৌরসভার প্রশাসন নবায়ন করতে ভোট দিতে যাচ্ছেন। (চেস্পি) প্রধান শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভেনেৎসিয়া ও রেজ্জো কালাব্রিয়া, এবং লেক্কো, মান্তোভা, সালের্নো, মেসিনা, প্রাতো, আরেৎসো ও আরও অনেক শহর।
আপনি যদি বিদেশি হিসেবে ইতালিতে থাকেন — ভোটের অধিকার থাকুক বা না থাকুক — কী হচ্ছে সেটা বোঝা আপনার জন্য জরুরি। কারণ সিন্দাকো (মেয়র) এবং কোন্সিলিও কমুনালে (পৌর পরিষদ) খুব বাস্তব সিদ্ধান্ত নেয়: আপনার এলাকার সামাজিক সেবা, আবাসন নীতি, স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার, এলাকার বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পর্ক। জাতীয় রাজনীতি আইন বানায়, কিন্তু পৌরসভা সেটা প্রয়োগ করে — আর প্রায়ই ঠিক করে ইন্তেগ্রাৎসিওনে (একীভূতকরণ) কতটা জায়গা পাবে, আর কতটা দেয়াল তুলবে।
পৌর নির্বাচন কীভাবে কাজ করে
ব্যাপারটা সহজ। নাগরিকরা একসঙ্গে সিন্দাকো এবং কোন্সিলিও কমুনালে-তে ভোট দেন। প্রথম দফায় যিনি ৫০%-এর বেশি ভোট পাবেন, তিনি সরাসরি জিতবেন। কেউ না পেলে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া দুই প্রার্থী বালোত্তাজ্জিও (দ্বিতীয় দফার ভোট)-তে মুখোমুখি হবেন — এ ক্ষেত্রে সেটা হবে ৭ ও ৮ জুন। সিন্দাকো পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্বে থাকেন, একবারই পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন, এবং পৌর বাজেট, স্থানীয় সরকারি সেবা ও স্থানীয় পর্যায়ের সামাজিক নীতির একটা বড় অংশ পরিচালনা করেন।
কার ভোটের অধিকার আছে
যেসব ইতালিয়ান নাগরিক ওই পৌরসভায় বাসিন্দা, তারা সবাই ভোট দিতে পারবেন — বিদেশে জন্ম নেওয়া ইতালিয়ানরাও। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকরা — অর্থাৎ ইইউর সদস্য দেশ থেকে আসা লোকজন — ইতালিতে বাসিন্দা হলে এবং বাড়তি ভোটার তালিকায় নাম থাকলে পৌর নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। ইইউ-বহির্ভূত দেশের নাগরিকরা, অর্থাৎ আমরা, ইতালির কোনো নির্বাচনেই ভোট দিতে পারি না — এমনকি স্থানীয় নির্বাচনেও না। এটা ইতালির রাজনৈতিক বিতর্কের একটা খোলা প্রশ্ন: বামপন্থী কিছু দল বছরের পর বছর ধরে দাবি করছে, যারা নির্দিষ্ট বছর ধরে বৈধভাবে ইতালিতে থাকছেন তাদের পৌর নির্বাচনে ভোটের অধিকার দেওয়া হোক। কিন্তু এখন পর্যন্ত এটা আইন হয়নি।
দুই পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি: কে কী প্রস্তাব করছে
ইতালিতে বহু বছর ধরে রাজনীতির মঞ্চ দুটো প্রধান ব্লকে ভাগ। এক দিকে চেন্ত্রোদেস্ত্রা (মধ্য-ডান), যার নেতৃত্বে ফ্রাতেল্লি দ্য ইতালিয়া দল এবং জোর্জা মেলোনি, সঙ্গে লেগা ও ফোর্ৎসা ইতালিয়া। আর অন্য দিকে যাকে বলা হয় "কাম্পো লার্গো" (বৃহত্তর জোট), যেখানে আছে পার্তিতো দেমোক্রাতিকো — নেতৃত্বে এল্লি স্ক্লাইন, মোভিমেন্তো ৫ স্তেল্লে — নেতৃত্বে জুসেপ্পে কোন্তে, এবং আল্লেআন্ৎসা ভের্দি এ সিনিস্ত্রা।
সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে চেন্ত্রোদেস্ত্রা জোর দেয় কর কমানো, ব্যবসাকে সহায়তা, আমলাতন্ত্র ছাঁটাই এবং ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সুরক্ষার উপর। কাম্পো লার্গো বেশি মনোযোগ দেয় ওয়েলফেয়ার, শ্রম অধিকার, সর্বনিম্ন মজুরি, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশগত রূপান্তরের দিকে।
অভিবাসন প্রশ্নে দুই পক্ষের মধ্যে ফারাক অনেক বড়। চেন্ত্রোদেস্ত্রা — বিশেষত লেগা — অভিবাসনের উপর নিয়ন্ত্রণকে তার প্রধান পরিচয় হিসেবে তুলে ধরেছে: সমুদ্রপথে আসা বন্ধ করো, ফেরত পাঠাও, পরিবার পুনর্মিলন কমাও — এবং জাতীয় পরিচয়ের এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে অভিবাসনকে একটি সমস্যা হিসেবে দেখা হয়, সম্পদ হিসেবে নয়। কাম্পো লার্গো-র অবস্থান অনেক বেশি খোলামেলা — আশ্রয়, একীভূতকরণ, নিয়মিত অভিবাসীদের অধিকার স্বীকৃতি এবং নাগরিকত্ব আইনের সংস্কারের ব্যাপারে। এই সংস্কারকে বলা হয় ইউস স্কোলে (ius scholae — যে আইন ইতালিতে জন্মানো বা বড় হওয়া বিদেশি তরুণদের একটি পূর্ণ শিক্ষাচক্র সম্পন্ন করলে নাগরিকত্ব দেয়)।
স্থানীয় পর্যায়ে এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো সরাসরি কংক্রিট সিদ্ধান্তে রূপ নেয়: সাংস্কৃতিক মধ্যস্থতা সেবায় কতটুকু বিনিয়োগ হবে, বিদেশি সম্প্রদায়ের জন্য মিলনকেন্দ্র খোলা থাকবে না বন্ধ করা হবে, সরকারি আবাসন কীভাবে পরিচালনা করা হবে, এবং প্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীদের ইতালি ভাষা শেখানোর প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে কি না।
ভোট দিতে না পারলেও কিছু করার আছে
ভোটের অধিকার না থাকলেই যে আপনার কথার কোনো দাম নেই — তা কিন্তু নয়। অনেক পৌরসভায় বিদেশি পরামর্শ পরিষদ বা অভিবাসী সম্প্রদায়ের কাউন্সিল থাকে — এগুলো বাধ্যবাধকতাহীন পরামর্শদাতা সংস্থা, কিন্তু এর মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে দাবি ও অনুরোধ পৌঁছানো যায়। দেখুন আপনার পৌরসভায় এ রকম কিছু আছে কি না, এবং কীভাবে অংশ নেওয়া যায়।
এরপর আছে সংগঠনগুলোর ভূমিকা: পাড়ার সংগঠন, সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মেয়র পদপ্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণার সময় এই সংগঠনগুলোর সাথে কথা বলতে চান — কারণ তখনই বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বরের ওজন সবচেয়ে বেশি। ব্যালট বাক্স ছাড়াও নিজেকে শোনানোর এটাই সঠিক সময়।
শেষে যাদের সন্তান আছে তাদের জন্য একটা বাস্তব কথা: ইতালিতে জন্মানো বা ছোটবেলায় আসা বিদেশি তরুণরা নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে প্রাপ্তবয়স্ক হলেও ভোট দিতে পারবে না — কিন্তু আজ যে স্থানীয় রাজনীতিতে ভোট হচ্ছে, সেটাই ঠিক করবে তাদের স্কুল, তাদের পাড়া আর তাদের ভবিষ্যতের জন্য কতটুকু জায়গা রাখা হবে।
Impara l'italiano online
La scuola online di italiano di Kalima Media Lab. Registrazione e test di livello gratuiti, livelli Pre-A1 e A1 gratuiti.
Vai alla scuolaঅনলাইনে ইতালীয় ভাষা শিখুন
Kalima Media Lab-এর অনলাইন ইতালীয় ভাষার স্কুল। নিবন্ধন ও লেভেল টেস্ট বিনামূল্যে, Pre-A1 ও A1 লেভেলও বিনামূল্যে।
স্কুলে যান