Consolato, apostille, traduzioni: la guida per non ricominciare da capo
Cosa fa il consolato, quando basta l'apostille e quando serve la legalizzazione, come si fa una traduzione giurata. E per i bangladesi: niente leva obbligatoria, ma attenzione ai dati sui documenti.
কনসুলেট, অ্যাপোস্টিল, অনুবাদ: নতুন করে শুরু না করার গাইড
কনসুলেট কী কাজ করে, কখন অ্যাপোস্টিলই যথেষ্ট আর কখন লিগালাইজেশন লাগে, শপথপত্রসহ অনুবাদ কীভাবে করাতে হয়। আর বাংলাদেশিদের জন্য: বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে যোগদান নেই, কিন্তু কাগজপত্রের তথ্য নিয়ে সতর্ক থাকুন।
বাংলায় লেখা একটা জন্ম সনদ, তাতে তিনটা আলাদা সিল। ছয় মাস আগে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া পাসপোর্টের একটা ফটোকপি। এক কাজিনের করা অনুবাদ, কোনো স্বাক্ষর নেই। কমুনের (পৌরসভা অফিস) কাউন্টারের টেবিলে এসবের কোনো দাম নেই, আর যিনি এগুলো নিয়ে এসেছেন তাঁকে আবার গোড়া থেকে শুরু করতে হবে। এটা প্রতিদিন ঘটছে, কারণ নিজের দেশের কনস্যুলেট আর ইতালীয় অফিসগুলোর মাঝখানে অনেকগুলো ধাপ আছে, যা কেউ ভালো করে বুঝিয়ে বলে না। চলুন, এখানে আমরা সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করি।
কনস্যুলেট: কী করে আর কী করে না
ইতালিতে বাংলাদেশের কনস্যুলেট হলো আপনার «বিদেশের কমুনে»। সেখানে আপনি পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারেন, ইতালিতে ঘটা জন্ম বা বিয়ে নিবন্ধন করতে পারেন, সার্টিফিকেট চাইতে পারেন, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (প্রক্সি) করতে পারেন, কখনো কখনো ভোটও দিতে পারেন। কিন্তু কনস্যুলেট আপনাকে পের্মেসো দি সোজ্জর্নো (ইতালিতে থাকার অনুমতিপত্র), রেসিদেন্তসা (বাসিন্দা হিসেবে নিবন্ধন) বা ইতালীয় নাগরিকত্ব দিতে পারে না: এগুলো কুয়েস্তুরা (স্থানীয় পুলিশ সদর দপ্তর, যেখানে অনুমতিপত্রের কাজ হয়), কমুনে আর প্রেফেত্তুরা (সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধি অফিস)-র কাজ।
আজকাল প্রায় সব কনস্যুলেটই শুধু অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কাজ করে, অনেক সময় অনলাইনে বুক করতে হয়। যাওয়ার আগে রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের বা মিলানের কনস্যুলেট জেনারেলের অফিসিয়াল সাইটে তিনটা জিনিস দেখে নিন, ফেসবুক গ্রুপে নয়: আপনার শহরের জন্য কোন অফিস দায়িত্বে আছে (সবসময় কাছেরটাই নয়), কোন কোন কাগজ নিয়ে যেতে হবে, আর সেবাটার খরচ কত। দূতাবাসে বা কনস্যুলেটে অ্যাপয়েন্টমেন্ট কীভাবে বুক করবেন, তা নিয়ে আমরা আগেই একটা গাইড লিখেছি: https://arabita.news/it/articolo/223।
পাসপোর্ট আর পের্মেসো দি সোজ্জর্নো
একটা কাজের পরামর্শ: পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হতে দেবেন না। পের্মেসো দি সোজ্জর্নো নবায়নের জন্য মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট লাগে, আর কনস্যুলেটে সময় অনেক লেগে যেতে পারে। মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ছয় মাস আগে থেকে শুরু করুন। অনুমতিপত্র নবায়নের সময় যদি পাসপোর্টের মেয়াদ ফুরিয়ে যায়, তাহলে নতুন পাসপোর্ট হাতে পাওয়ামাত্র কুয়েস্তুরাকে জানান। অনুমতিপত্র নবায়ন নিয়ে আমাদের গাইড আছে: https://arabita.news/it/articolo/225।
লেগালিৎসাৎসিওনে আর অ্যাপোস্তিল: কেন শুধু একটা সিল যথেষ্ট নয়
বাংলাদেশ থেকে ইস্যু করা কোনো কাগজ (জন্ম সনদ, ডিপ্লোমা, বিয়ের দলিল) ইতালিতে নিজে নিজে বৈধ নয়। আগে সেটাকে «লেগালিৎসাতো» (বৈধতা-প্রত্যয়িত) করাতে হয়, মানে কাউকে নিশ্চিত করতে হয় যে স্বাক্ষর আর সিল আসল। দুটো পথ আছে, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্প্রতি বদলেছে।
- অ্যাপোস্তিল, ১৯৬১ সালের হেগ কনভেনশনের কল্যাণে। বাংলাদেশ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এই কনভেনশনে যোগ দিয়েছে। এখন বাংলাদেশি কাগজে অ্যাপোস্তিল পাওয়া যায়। এটা একটা বিশেষ সিল, যা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) লাগিয়ে দেয়, আর গন্তব্য দেশের দূতাবাসে আলাদা করে যেতে হয় না। ব্যবস্থাটা নতুন: রওনা দেওয়ার আগে ইতালীয় অফিসকে জিজ্ঞেস করে নিন, আপনার কাগজে তারা অ্যাপোস্তিল মানে কি না।
- «চেইন» লেজিস্লাৎসিওনে, মানে পুরোনো পথ। অ্যাপোস্তিল চালু হওয়ার আগে কাগজ আগে ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে, তারপর ঢাকায় ইতালির দূতাবাস থেকে লেজিস্লাৎসিওনে (legalizzazione, মানে কাগজের সিল-স্বাক্ষর যাচাই করে বৈধতা দেওয়া) করাতে হতো। আপনার হাতে থাকা অনেক কাগজ এভাবেই করা, আর কিছু অফিস এখনও এটা চাইতে পারে। আপনার কাগজের জন্য কোন পথ চলবে, তা নিয়ে সন্দেহ থাকলে ঢাকায় ইতালির দূতাবাসকে বা কোনো পাত্রোনাতো (patronato, শ্রমিকদের বিনামূল্যে সাহায্য করা সংস্থা) জিজ্ঞেস করুন।
আরেকটা তৃতীয় পথও আছে, আপনি যদি আগে থেকেই ইতালিতে থাকেন তাহলে কাজে লাগবে। কাগজটা যদি এখানে বাংলাদেশের কনসুলেট দেয় বা প্রত্যয়ন করে, তাহলে কনসাল-এর স্বাক্ষর আবার লেজিস্লাৎসিওনে করাতে হবে প্রেফেত্তুরা (prefettura, প্রদেশের সরকারি প্রতিনিধির কার্যালয়) থেকে, যে শহরে কনসুলেট আছে সেই শহরের প্রেফেত্তুরা থেকে। এটা ২০০০ সালের ৪৪৫ নম্বর প্রেসিডেন্টের ডিক্রির ৩৩ নম্বর ধারায় বলা আছে। কাগজ জমা দেওয়ার আগে, যে ইতালীয় অফিস কাগজটা নেবে তাদের জিজ্ঞেস করুন তারা কোন পথটা মানে: কমুনে (comune, পৌরসভা অফিস), কুয়েস্তুরা (questura, স্থানীয় পুলিশ সদর দপ্তর) আর স্কুল সবসময় একই জিনিস চায় না।
শপথপত্রসহ অনুবাদ
প্রায় সবসময়ই কাগজটা ইতালীয় ভাষায় অনুবাদও করাতে হয়। আপনি নিজে বা কোনো আত্মীয় অনুবাদ করলে সেটা চলবে না। পথ দুটো।
- ঢাকায় ইতালির দূতাবাসের প্রত্যয়িত অনুবাদ, রওনা দেওয়ার আগে। আপনার কাগজের ধরনের জন্য এই সেবা পাওয়া যায় কি না আর কী শর্তে, তা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেখে নিন।
- ইতালিতে শপথ করা (বা অ্যাসেভেরাতো, asseverato) অনুবাদ। একজন অনুবাদক ত্রিবুনালে (tribunale, আদালত) বা জুদিচে দি পাচে-তে (giudice di pace, ছোট বিবাদের বিচারক) গিয়ে কর্মকর্তার সামনে শপথ করে বলেন যে অনুবাদটা সঠিক। প্রতি চার পাতায়, মানে প্রতি একশো লাইনে, ১৬ ইউরোর একটা মার্কা দা বোল্লো (marca da bollo, সরকারি স্ট্যাম্প) লাগে, শপথের বিবরণীসহ। কিছু ত্রিবুনালে আগে থেকে সময় নিতে হয়। কিছু কাজে, যেমন নাগরিকত্বের আবেদনে, অনুবাদক নিজে আবেদনকারী বা তাঁর কোনো আত্মীয় হতে পারবেন না।
খেয়াল রাখুন: ত্রিবুনালে এক বিদেশি ভাষা থেকে আরেক বিদেশি ভাষায় অনুবাদ করা যায় না। অনুবাদ সবসময় ইতালীয় ভাষায় হয়। ইতালীয় কাগজ বিদেশে পাঠাতে হলে পথটা উল্টো: বাংলায় (বা বাংলাদেশের অফিস যে ভাষা চায় সেই ভাষায়) অনুবাদ, ত্রিবুনালে অ্যাসেভেরাৎসিওনে (asseverazione, অনুবাদ সঠিক বলে শপথ), তারপর অ্যাপোস্তিল বা প্রেফেত্তুরায় (কিছু কাগজের ক্ষেত্রে প্রকুরায়) লেজিস্লাৎসিওনে।
বাংলাদেশিদের জন্য: সামরিক চাকরির ঝামেলা নেই, কিন্তু তথ্য মিলিয়ে নিন
বাংলাদেশে সামরিক চাকরি বাধ্যতামূলক নয়: সশস্ত্র বাহিনী স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে গঠিত। তাই অন্য কিছু দেশের নাগরিকদের মতো ইতালিতে থাকা কোনো বাংলাদেশি পুরুষের সামরিক চাকরির কারণে পাসপোর্ট নিয়ে সমস্যা হওয়ার ভয় নেই। সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা হয়, সেটা অন্য: এক কাগজের সঙ্গে আরেক কাগজের তথ্য না মেলা।
নাম একেক জায়গায় একেকভাবে লেখা, কিংবা পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) আর জন্মসনদে জন্মতারিখ আলাদা: এমন হলে ইতালির অফিসের চোখে আপনাকে দুজন আলাদা মানুষ মনে হতে পারে। অ্যাপোস্টিল, বৈধকরণ বা অনুবাদের জন্য আবেদন করার আগে দেখে নিন, আপনার সব কাগজে তথ্য এক কি না। কোনো গরমিল পেলে ইতালিতে কোনো আবেদন শুরু করার আগে বাংলাদেশ কনসুলেটকে বা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অফিসকে জিজ্ঞেস করুন কীভাবে ঠিক করবেন। টাকার বিনিময়ে কাগজ «ঠিক করে দেওয়ার» প্রস্তাব যে দেয়, তাকে বিশ্বাস করবেন না।
সময় নষ্ট না করার পাঁচটি নিয়ম
১. কোন কাগজ লাগবে আর কোন আকারে লাগবে, তা আগে ইতালির অফিসকে জিজ্ঞেস করুন।
২. বাংলাদেশে গেলে সেখানেই কাগজপত্র বৈধ করিয়ে নিন আর অনুবাদ করিয়ে নিন: প্রায়ই এতে খরচ কম হয়।
৩. সব আসল কাগজের স্ক্যান করা কপি সবসময় নিজের কাছে রাখুন।
৪. তারিখ দেখে নিন: ইতালির জন্য অনেক সনদের মেয়াদ ছয় মাস।
৫. শুধু কনসুলেট আর মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন। অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য যারা টাকা চায়, তাদের দরকার নেই।
পরিবারের কাউকে ইতালিতে আনতে হলে এই গাইডের প্রায় সব ধাপই লাগবে। সেটা নিয়ে আমরা পারিবারিক পুনর্মিলনের গাইডে কথা বলেছি: https://arabita.news/it/articolo/326।
Impara l'italiano online
La scuola online di italiano di Kalima Media Lab. Registrazione e test di livello gratuiti, livelli Pre-A1 e A1 gratuiti.
Vai alla scuolaঅনলাইনে ইতালীয় ভাষা শিখুন
Kalima Media Lab-এর অনলাইন ইতালীয় ভাষার স্কুল। নিবন্ধন ও লেভেল টেস্ট বিনামূল্যে, Pre-A1 ও A1 লেভেলও বিনামূল্যে।
স্কুলে যান